যুবরাজশাহাদাতঃ পর্তুগাল হচ্ছে ইউরোপের একমাত্র অভিবাসন বান্ধব দেশ, যেখানে অভিবাসী অভিবাসীদের অনেক আগে থেকেই সহজ শর্তে না নাগরিক হওয়ার সুযোগ দিয়ে যাচ্ছে। আটলান্টিকের পাড়ের দেশটিতে অনেক আগে থেকেই অভিবাসীদের আনাগোনা। বর্তমান নাগরিকত্ব পাওয়া আরও অনেক সহজতর করেছে পর্তুগাল। আগে যেখানে পর্তুগালে একজন নাগরিক ৬ বছর বৈধভাবে থাকার পর পর্তুগিজ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারত সেটা ২০১৯ সালে সংশোধন করে কমিয়ে পাঁচ বছরে নিয়ে এসেছে পর্তুগিজ সরকার। যার ফলে সহজ শর্তে যে কেউ পর্তুগিজ নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে পারছে পর্তুগালে। এবার অবৈধ অভিবাসী যাদের সন্তানাদি পর্তুগালে জন্মগ্রহণ করবে তাদের নাগরিকত্বের বিষয়টি পার্লামেন্টে প্রস্তাবনার পর অবশেষে পাশ হলও প্রেসিডেন্টের অধ্যাদেশের মাধ্যমে।
বর্তমান সময় যে আইনটি তৃতীয় দেশের অবৈধ অভিবাসী বা ইলিগেল কাগজ পত্র বিহীন নাগরিকদের সন্তান পর্তুগালে জন্মগ্রহণ করলে তার নাগরিকত্ব পেতে কত সময় লাগবে সেই আইনটি পাস হয়েছে যার ফলে আরো সহজ শর্তে ৩ইয় দেশের নাগরিকদের সন্তানাদি পর্তুগীজ নাগরিক হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। সেই আইনটি হচ্ছে যদি পর্তুগালের বসবাসরত কোন অভিবাসী এক বছরের বেশি সময় ধরে পর্তুগালের বসবাস করে এবং তাদের সন্তানাদি যদি পর্তুগালের জন্মগ্রহণ করে সে পর্তুগিজ নাগরিকত্ব গ্রহণ করবে অর্থাৎ সরাসরি পর্তুগিজ নাগরিকত্ব লাভ করবে। উল্লেখ্য যে আগে এই আইনটি এমন ছিল যদি কোন অভিবাসী ২ বছর পর্তুগালে বৈধভাবে বসবাস করেন এবং তাদেরসন্তান জন্মগ্রহণ করে তাহলে পর্তুগীজ নাগরিকত্ব লাভ করত।
নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের জন্য উত্থাপিত হওয়ার পর পরবর্তী কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় সে বিষয়ে প্রেসিডেন্ট সংশোধনী করে এবং পারলামেতে উপস্থাপনের জন্য পাঠান। বর্তমানে সংশোধিত আইনটি প্রথমে পাঁচ বছর ছিল তারপর দুই বছর এবং সর্বশেষ সেটা কমিয়ে বর্তমানে এক বছর করা হয়েছে। সর্ব প্রথমে যে আইনটি ছিল এমন ছিল পর্তুগালের যদি কোন অভিবাসী অবৈধ অবস্থায় থাকে ৫ বছর থাকার পর অভিবাসীর সন্তান জন্মগ্রহণকারী সেক্ষেত্রে অভিবাসী সন্তানাদি পর্তুগিজ নাগরিকত্ব লাভ করতে পারবে উল্লেখ্য সেটা কমিয়ে কয়েক বছর আগে সেটাকে দুই বছর করা হয়েছিল বর্তমান সরকার সেটাকে কমিয়ে একবছর করেছে ।